know more
আফগানিস্তানকে হারিয়ে শেষ চারে শ্রীলঙ্কা !!

আফগানিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যকার এই ম্যাচটি ছিল পুরুষদের টি২০ এশিয়া কাপ ২০২৫-এর গ্রুপ বি-এর ১১তম খেলা, যা আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন, যাতে স্পিনারদের সাহায্যপ্রাপ্ত পিচে একটি প্রতিযোগিতামূলক স্কোর গড়ে তোলা যায়।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাথুম নিসাঙ্কা, কুসল মেন্ডিস (উইকেটকিপার), কামিল মিশারা, কুসল পেরেরা, চারিথ আসালাঙ্কা (অধিনায়ক), দাসুন শানাকা, কামিন্দু মেন্ডিস, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুনিথ ওয়েলালেজ, দুশমন্ত চামিরা, নুয়ান থুশারা।
আফগানিস্তান একাদশ: সেদিকুল্লাহ আতাল, রহমানুল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), ইব্রাহিম জাদরান, মোহাম্মদ নবী, দারউইশ রাসুলি, আজমাতুল্লাহ ওমরজাই, করিম জানাত, রশিদ খান (অধিনায়ক), মুজিব উর রহমান, নুর আহমাদ, ফজলহক ফারুকি।

১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে শ্রীলঙ্কা ১৮.৪ ওভারে ১৭১/৪ করে, ছয় উইকেটে জিতে আট বল বাকি রেখে। কুসল মেন্ডিস ৫২ বলে অপরাজিত ৭৪ রান করে ইনিংসকে নোঙ্গর করে, আফগানিস্তানের স্পিনারদের বিরুদ্ধে সুইপ এবং পুল দিয়ে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করে। তিনি মূল অংশীদারিত্ব গড়েন, যার মধ্যে অন্য ব্যাটসম্যানের সাথে ৪৫, এবং ১৮তম ওভারে ব্যাক-টু-ব্যাক বাউন্ডারি দিয়ে জয় নিশ্চিত করেন। কুসল পেরেরা ২৮ রান করে সাহায্য করে, যখন পাথুম নিসাঙ্কা এবং অন্যদের অবদান স্কোরবোর্ড চালিয়ে যায়। একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল নুর আহমাদের ১৭তম ওভার, যা ১৭ রান দেয়, খেলাটিকে নির্ণায়কভাবে শ্রীলঙ্কার পক্ষে ঝুঁকিয়ে দেয়।

আফগানিস্তানের বোলাররা, বিশেষ করে রশিদ খান, মুজিব উর রহমান এবং নুর আহমাদের মতো স্পিনাররা, স্কোর রক্ষা করার চেষ্টা করেন কিন্তু ধারাবাহিকভাবে ভাঙ্গতে পারেননি। আজমাতুল্লাহ ওমরজাই ১-১০-এ অর্থনৈতিক ছিলেন, কিন্তু ইউনিটটি মেন্ডিসের শান্ত ব্যাটিংয়ের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের অভাব দেখায়। স্পিনের উপর কৌশলগত নির্ভরতা যৌক্তিক ছিল তাদের শক্তির কারণে, কিন্তু শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা ভালোভাবে অভিযোজিত হয়।

শ্রীলঙ্কা গ্রুপ পর্যায়ে তাদের ১০০% রেকর্ড বজায় রেখে, গ্রুপ বি থেকে বাংলাদেশের সাথে সুপার ফোরে যোগ্যতা অর্জন করে। আফগানিস্তান, লড়াই সত্ত্বেও, মাত্র দুই পয়েন্ট এবং +১.২৪১ নেট রান রেট সহ গ্রুপে তৃতীয় স্থানে শেষ করে বাদ পড়ে। এই ফলাফল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং এবং বোলিংয়ের গভীরতা তুলে ধরে, যখন আফগানিস্তানের কয়েকজন মূল খেলোয়াড়ের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা উন্মোচিত করে। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, কিন্তু পারফরম্যান্স অনুসারে এটি কুসল মেন্ডিসের ম্যাচ-জয়ী নক বা নুয়ান থুশারার বোলিং হাউল হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *