ডার্বি মানে বাঙাল ভার্সেস ঘটির লড়াই!ডার্বি মানে ইলিশ ভার্সেস চিংড়ি!ডার্বি মানে বাঙালির উৎসব!
এই দুটি দল প্রথম বারের জন্য পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল ১৯২১ সালের ৮ ই আগস্ট! এই দুটি দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রায় ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো এবং এশিয়া ফুটবলের সবথেকে বড়ো প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে দেখা হয়!
২০২৫-২৬ সালে ডুরান্ড কাপে মরসুমে প্রথম কলকাতা ডার্বিতে পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান! ম্যাচটি আজ সন্ধ্যা ৭:০০ থেকে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল!
*প্রথম একাদশ * *মোহনবাগান*= বিশাল,আলবার্ট, আলড্রেড, আপুয়া, সহাল,মাক্লেরেন,লিস্টন, আসিস রাই, অভিষেক, তামাগ,অনিরুথ থাপা , পাসঙ্গ
*ইস্ট বেঙ্গল*= গিল,রাকিব, কেভিন, আনোয়ার, নুংগা,সাউল, মাহেশ, মিগুল, বিপিন, এডমুন্ড, হামিদ,*
প্রথম অর্ধ*= ম্যাচটি ইস্টবেঙ্গল দারুন ভাবে শুরু করে যেখান তারা ডিফেন্স-এর শেপ মেইনটেইন করে এট্যাকে যাছিল!মাঝ মাঠে সাউল, মাহেশ এবং মিগুল মোহনবাগান ডিফেন্সর উপর অনবরত চাপ সৃষ্টি করছিলো, এই চাপের মুখেই মোহনবাগানের গোল কিপার বক্সের মধ্যে টম আলড্রেডকে একটা পাস করে সেই বলটি সাউল প্রেস করে কেড়ে নেয় এবং সেই মুহূর্তে আলড্রেড বক্সের মাথাই ফাউল করতে বাধ্য হয় ফ্রীকিকটি মেগুল মারতে জান কিন্তু তেকাঠির মধ্যে রাখতে ব্যর্থ হয় এর কিছুক্ষন পর (৩৫) মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে আসিস রাই বিপিন সিং কে ফাউল করে বসে যার সুবাদে ইস্টবেঙ্গল পেনাল্টি পায়, এই পেনাল্টি থেকে ইস্টবেঙ্গল কে ১-০ গোল এগিয়ে দেন হামিদ এর পরিবর্তে আসা দিমিত্রী দিমান্তকস।প্রথম অর্ধে মোহনবাগান কিছু সুযোগ পেলেও তারা সেই সুযোগ গুলি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়!
*দ্বিতীয় অর্ধ* = দ্বিতীয় অর্ধ শুরু হওয়ার আগে মোহনবাগান কোচ মলিনা একটা পরিবর্তন করে পসঙ্গ-এর জাগায় কামিং কে নিয়ে আসেন এট্যাকের শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য দ্বিতীয় অর্ধ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সাহাল একটি সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ হয় এর কিছুক্ষন বাদেই মাহেসের দেওয়া একটি ডিফেন্স স্প্লিটটিং পাস থেকে গোল করে স্কোর লাইন ২-০ করে দেন দিমিত্রী দিমান্তকস।
(৬৭) মিনিটে মোহনবাগান এর হয়ে ব্যবধান কমান অনিরুদ্ধ থাপা, গোল করার কিছুক্ষন পর কিছু চেঞ্জ আনেন তারা দলে যেখান তিমি টম কে তুলে পেট্রতোষ কে নিয়ে আসেন থাপাকে তুলে দীপক তগ্রীকে নিয়ে আসেন এবং ফরমেশন বদলে ৩ ডিফেন্স চলে জান অ্যাটাক করলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ২-১ গোলে শেষ হয় এবং ইস্টবেঙ্গল এই জয়ের সুবাদে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলো!
এই ম্যাচ থেকে এটা ভালো মতন বোঝা গেলো যে ইস্টবেঙ্গ-এর এবছরের টীম যথেষ্ট শক্তিশালী বিশেষ করে মাঝমাঠ।মোহনবাগান তাঁদের প্রাক মরসুমের প্রস্তুতি কিছুদিন আগে শুরু করেছে তার ফলে টিমের বেশিরভাগ প্লেয়ার এখনো ১০০% ফিট নয়!
ফিট হলে দলটা কি করতে পারে সেটা আমরা আগের মরসুমেই দেখেছি এখন এটাই দেখার তাঁদের টীম কত তারতারি নিজেদের ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে ছন্দে ফিরতে পারে। এই খেলার ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন ইস্টবেঙ্গলের দিমিত্রী দিমান্তকস।।।।
