কলম্বোর প্রিমডাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি (৯ম ম্যাচ) ছিল উত্তেজনাপূর্ণ এবং নাটকীয়। অস্ট্রেলিয়া মহিলা দল পাকিস্তান মহিলা দলকে ১০৭ রানে পরাজিত করে দ্বিতীয় জয় নিশ্চিত করেছে, যাতে তারা পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে উঠে এসেছে (দুটি জয় এবং একটি ওয়াশআউট)। অন্যদিকে, পাকিস্তান এখনও জয়হীন রয়েছে এবং টেবিলের নিচে অবস্থান করছে, তাদের নেট রান রেট -১.৮৮৭-এ নেমে এসেছে। ম্যাচের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকা ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনি, যাঁর শতরান অস্ট্রেলিয়াকে ধ্বংস থেকে উদ্ধার করেছে।
ম্যাচের সারাংশ
অস্ট্রেলিয়া মহিলা: ২২১/৯ (৫০ ওভার, রান রেট: ৪.৪২) সেরা ব্যাটার: বেথ মুনি ১০৯ (১১৪ বল, ১১ চার)
সেরা বোলার (পাকিস্তান): নাশরা সান্ধু ৩/৩৭
পাকিস্তান মহিলা: ১১৪ সবাই আউট (৩৬.৩ ওভার, রান রেট: ৩.১২) সেরা ব্যাটার: সিদরা আমিন ৩৫ (৫২ বল, ৫ চার)
সেরা বোলার (অস্ট্রেলিয়া): কিম গার্থ ৩/১৪
পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন, যা প্রথমদিকে সঠিক বলে মনে হয় কারণ মাঠটি ধীরগতির এবং স্পিন-বান্ধব ছিল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার শেষ ঘাটের প্রতিরোধ এবং পরবর্তীকালে তাদের বোলিং আক্রমণ পাকিস্তানকে ধসিয়ে দিয়েছে।
বেথ মুনির ভূমিকা: এই বছরে তাঁর গড় ৬৩.৪২। ধীর মাঠে ধৈর্য ধরে খেলে, শেষে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে। পাকিস্তানের স্পিনারদের (৩০ ওভারে ৬/৯৮) ছাপিয়ে যান। তাঁর শতক পাকিস্তানের ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্ন ভেঙে দেয়।
পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ: নাশরা সান্ধু (অডিআই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ উইকেট-টেকার) এবং শামিম চমৎকার ছিলেন, কিন্তু বাইগের ৭৪ রান (১০ ওভার) ব্যয়বহুল ছিল। মাত্র ৫ বোলার ব্যবহার করে তারা সুযোগ হারায়।
অস্ট্রেলিয়ার বোলিং: গার্থের রিভিউ (যা পুনর্গঠনের সূচনা করে) এবং সাদারল্যান্ড-শুটের সিম আক্রমণ পাকিস্তানের ব্যাটিংকে ধ্বংস করে। পাওয়ারপ্লেতে ৫ উইকেট হারানো তাদের শেষ করে।
সামগ্রিক: পাকিস্তান প্রথমে অস্ট্রেলিয়াকে সর্বনিম্ন স্কোরে আটকাতে পারত, কিন্তু মুনির পরিপক্বতা এবং অস্ট্রেলিয়ার শেষ ঘাটের ফুলেশ (যেমন কিং-এর দুটি কনসেকিউটিভ ছক্কা) জয় নিশ্চিত করে। পাকিস্তানের ব্যাটিং-এর দুর্বলতা (কোনো ৫০+ স্কোর নেই) তাদের সমস্যা তুলে ধরে। এই জয় অস্ট্রেলিয়াকে টুর্নামেন্টে শক্তিশালী করে তোলে।
