দ্বিতীয় টেস্ট, ইংল্যান্ড বনাম ভারত, যেটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বার্মিংহাম এ। প্রথম টেস্ট ইন্ডিয়া হারার পর এই টেস্ট টা তারা পাখির চোখ করেছে সিরিজ জিতবার জন্য।ভারত প্রথম ব্যাট করে একরকম রানের পাহাড় দেয় ইংল্যান্ডের সামনে। প্রথমে ভারত ব্যাট করে ৫৮৭ রান করে। যেখানে ক্যাপ্টেন গিল অনবদ্য ২৬৯ রানের ইনিংস খেলে।
জবাবে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস এ ৪০৭ রান করে। ভারত আবার দ্বিতীয় ইনিংসে ৪২৭ রান করে ইংল্যান্ড এর সামনে টার্গেট দেয় বিশাল ৬০৮ রানের। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড ২৭১ রানে অল আউট হয়েছে যায়। ভারত ম্যাচ টা ৩৩৬ রানে জিতে যায়। এবং সিরিজ টা সমানে সমানে অর্থাৎ ১-১ ব্যবধানে দার করায়। এই সিরিজে আকাশ দীপ অসাধারণ বল করেছে।
২ ইনিংস মিলিয়ে তার ঝুলিতে ১০ টা উইকেট। শেষে বলা যাবে, একটা অসাধারণ টেস্ট ম্যাচ দেখতে পেলাম ভারতীয় দের দৃষ্টিকোন থেকে।*লর্ডসে ভারত এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে তৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড মাত্র ২২ রানে ভারতকে হারিয়ে অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়।* টসের ফলাফল: এদিন ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেনস্টোক প্রথমে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন।
চূড়ান্ত ফলাফল: উভয় দল প্রথম ইনিংসে ৩৮৭ রানের সমান সংগ্রহ করেদ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড সংগ্রহ করে ১৯৩ রান।ভারতের তাড়া: ৫ম দিনে মধ্যাহ্নভোজে ১১২/৮ থেকে পতনের ফলে ইংল্যান্ড তাদের ১৭০ রানে গুটিয়ে দেয়।ইংল্যান্ডের বোলার: বেন স্টোকস (৩/৪৮) এবং ব্রাইডন কার্স (২ উইকেট) চাপ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন!
টার্নিং পয়েন্ট এবং অসাধারণ পারফরম্যান্সঅধিনায়ক এবং বোলার উভয়ই বেন স্টোকস তার নেতৃত্ব এবং চাপ-প্রবণতার মধ্যে ক্লাচ বোলিংয়ের জন্য ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।ভারতের ওয়াশিংটন সুন্দর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে ভারতকে খেলার মধ্যে রাখে।
প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষণপরাজয় সত্ত্বেও, ভারতীয় অভিজ্ঞ ভাষ্যকাররা ব্যক্তিগত দিক থেকে প্রশংসা করেছেন এবং ম্যাচটি এই সিরিজের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচগুলির মধ্যে একটি হিসাবে স্মরণ করা হয়। এদিন শেষের দিকের প্রতিরোধ ব্যর্থ হয়েছিল - কঠিন লড়াইয়ের পর ভারত ১৭০ রানে অলআউট হয়ে যায়।চতুর্থ টেস্ট ইংল্যান্ড বনাম ভারত। যেটা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার এ।
অসাধারণ একটা টেস্ট ম্যাচ। ইংল্যান্ডের দিক থেকে দেখলে এটা তাঁদের পরাজয় ই বটে আর ভারতীয় দের দিক থেকে দেখলে ম্যাচ টা বিজয়ের থেকে কিছু কম স্বাদ নয়। ম্যাচের ফলাফল ড্র।ফলাফল যাই হোক না কেন, আসলে আমরা একটা দুর্দান্ত টেস্ট মাথ দেখলাম, দেখলাম ভারতীয় ব্যাটার দের ধৈর্যের পরীক্ষা। কিভাবে শেষ দুদিন ব্যাট করে, ম্যাচ টাকে হারের হাত থেকে বাঁচিয়ে ড্র করে আনলো।
শেষ ইনিংস এ কে এল রাহুল, আর ভারতীয় ক্যাপ্টেন শুভমান গিলের অসাধারণ পার্টনারশীপ ম্যাচ টাতে ফিরিয়ে নিয়ে আসার স্বপ্ন বাধে ভারতীয় দের মনে কারণ একসময় খেলার ফলাফল ছিল ভারতের শূন্য অর্থাৎ 0 রানে ২ উইকেট টাও আবার প্রথম অভাবে।
শেষের দিকে ওয়াশিংটন সুন্দর ও রবীন্দ্র জাদেজার ব্যাট, ইংল্যান্ডের জয় এর পথে কাঁটা হয়েছে দাঁরায়। শেষমেশ খেলা টা ড্র হলে সিরিজের ফলাফল ইংল্যান্ড ২ এবং ভারত ১, এই অবস্থায় দাঁড়ায়। এবার শেষ ম্যাচ এর অপেক্ষা যেটা ওভালে অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণের ম্যাচ।
কার হাতে উঠবে অ্যান্ডার্সন - টেন্ডুলকার ট্রফি।ভারত বনাম ইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট। যেটা অনুষ্ঠিত হয়েছে ইংল্যান্ডের ওভালে। শেষ টেস্ট এবং এই টেস্টেই নির্ধারিত হবে সিরিজের ফলাফল।
প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে ইন্ডিয়া, তারা স্কোর করে টোটাল ২২৪। তার জবাবে অসাধারণ বলিং এর জন্য ইংল্যান্ডের টিম কেও মাত্র ২৪৭ রানে। অল আউট করে দেয়। এবং সেকেন্ড ইনিংসে ভারত রান করে ৩৯৬ রান। প্রথম ইনিংসে ২৩ রানে এগিয়ে থাকার সুবাদে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৭৪ রান। চতুর্থ দিন শেষে ইংল্যান্ড এর আর বাকি ৩৫ রান, আর ভারত কে জিততে হলে লাগবে ৪ উইকেট।
খেলা গড়ালো পঞ্চম এবং শেষ দিনে। যেখানে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য অনেকটাই কম কিন্তু ভারতের দরকার তারমধ্যে সঠিক ৪ তে বল। খেলার প্রথম বল, প্রথম বলেই চার। দ্বিতীয় বল, সেটাতেও চার। ইংল্যান্ডের বাকি ২৭ রান। ভারতের এখনো দরকার সঠিক ৪ টে বল। সিরাজ বলে গিয়েই আউট করলো জ্যামি স্মিথ কে। তারপরের ওভারে জ্যামি ওভারটন কে। খেলার মোড় ঘুরলো ভারতের দিকে। প্রষিদ্ধ কৃষ্ণ আউট করলো জোশ টাং কে। খেলা অসাধারণ জায়গায় পৌঁছাল। লোম খাড়া হয়েছে যাওয়ার মতো খেলা।
ভারত যখন ভেবেই নিয়েছে যে ম্যাচ জিতে গেছি, সেই সময় ভাঙা কাঁধ নিয়ে এক হাতে ব্যাট করতে নামলো ক্রিস ওক্স। এই জন্যই বোধহয় বলে সব ফরম্যাট এর মধ্যে সেরা ফরম্যাট টেস্ট ক্রিকেট। খেলার ফলাফল দাঁড়ালো যখন ৮ রান বাকি, সেই সময় সিরাজের করা সঠিক ইয়র্কর, যাতে বোলড আউট হয় গাস আটকিনসন।
ইন্ডিয়া জিতলো এক অসাধারণ টেস্ট ম্যাচ।।ম্যাচের নায়ক মোহাম্মদ সিরাজ। অসাধারণ বলিং পারফরমেন্স তার। সিরিজের ফলাফল দাঁড়ালো ২-২। ২৫ দিন ধরে ৫ টি টেস্ট ম্যাচের সিরিজ একটা আলাদাই আনন্দ দিয়ে গেলো সমস্ত ক্রিকেট প্রেমী কে। শেষ পর্যন্ত জিতলো কিন্তু সেই ক্রিকেট।।।
